এপ্রিল মাসেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয়

বিশ্বজুরে করোনা মহামারির মধ্যেই পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। এর ফলে এপ্রিল মাসেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। মে মাসের ১ ও ২ তারিখে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বগতির ফলে করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৫ বিলিয়ন ডলার (৪ হাজার ৫০০ কোটি) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।
সোমবার দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরেও এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নগদ প্রণোদনার জাদুতেই করোনার মধ্যেও রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় রয়েছে। এর অন্যতম কারণ সরকারের ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা। এছাড়া প্রতিবছর রোজা ও ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের কাছে একটু বেশি অর্থ পাঠান। করোনা সংক্রমণ বাড়লেও এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *